উত্তরের গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত বাংলার গায়েন সিজন ২ ভাওয়াইয়া উৎসবের বিচারকের দায়িত্ব পালনে শফি মন্ডল আলেয়া বেগম ও আকাশ মাহামুদ অংশ গ্রহন করায় প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুড়িগ্রামসহ উত্তরের ঐতিহ্যবাহী ভাওয়াইযা গুনী শিল্পীসহ ভাওয়াইয়া গান প্রেমীরা।
এই গান উত্তেরর সম্পদ, এটি সাধারন গান নয়, উত্তবঙ্গের শেকর সংস্কৃতি ও অস্তিত্ব। এ গানের ঐতিহ্য ধরে রাখতে ভাওয়াইয়া গানের প্রতিযোগীতায এমন বিচারক থাকা উচিত যারা এই গানের ভাষা,মাটির সুর ও ঐতিহ্য গভীরভাবে ধারণ করেন। আর এমন ভাওযাইয়া গুনী শিল্পীর অভাব নেই উত্তবঙ্গে। তাই ভাওয়াইয়া গানের বিচার ভাওয়াইয়া শিল্পীরাই করবে এবং যারা এ গানের কথা,সুর,গায়োকী মায়া, বুঝবেনা জানবেনা তাদের দিয়ে বিচার করে ভাওয়াইয়াকে নষ্ট করা উচিৎ নয় জনালেন ভাওয়াইয়া গুনী শিল্পীরা। গাইবান্ধায় ভাওয়াইয়া গানের বিচারে শফি মন্ডল আলেয়া বেগম ও আকাশ মাহামুদ বিচারকের দায়িত্ব পালন করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম থেকে ভাওয়াইয়া শিল্পী শফিকুল ইসলাম শফি ও সম্রাট,সজিব, উলিপুর থেকে ভুপতী ভুষণ বর্মা,পারুল, রংপুর থেকে ভাওয়াইযা শিল্পী মোস্তাফিজুর রহমান ও বেলাল, শিল্পীরানী, রনজিৎ, রাজার হাট থেকে ভাওয়াইয়া শিল্পী নাজমুল হক,দুলাল ও আয়ুব আলী মন্ডল, চিলমারী থেকে পঞ্চানন,লালমনির হাট থেকে কল্লানশীল,গীতিকার সাইদুল ইসলাম, গীতিকার সতেন্দ্রনাথ,শুরভী, নাগেশ্বরী থেকে ভাওয়াইয়া শিল্পী ও সংবাদকর্মী শফিকুল ইসলাম শফি ও রেখা রানী, ভুরুঙ্গামারী থেকে ভাওয়াইয়া শিল্পী আছমা খাতুন,মজিদুল ইসলাম খোকন ও মালেকসহ অনান্য ভাওয়াইয়া শিল্পীরা।
গাইবান্ধায় ভাওয়াইয়া গানে বিচারকের দায়িত্ব পালনে ক্ষোভ প্রকাশ ও প্রতিবাদ







